• শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ০৪:২৬ পূর্বাহ্ন
  • |
  • English Version
  • |
Headline :
ভোলায় এক হালি লেবুর দাম ৬০ টাকা ভোলায় বাস মালিক সমিতির উদ্যোগে “ঈদ আনন্দ বাজার” উদ্বোধন ভোলার ৪টি আসনে চরমোনাই পীরের দলসহ জামানত হারাচ্ছেন ২১ প্রার্থী নির্বাচনে প্রশাসন নিরপেক্ষতা হারালে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে”ভোলায় ইসি মো.সানাউল্লাহ  ভোলায় জামায়াত প্রার্থীর মিছিলে হামলা; হাফিজ ইব্রাহিমকে তলব, পুলিশি তদন্তের নির্দেশ ভোলা চরফ্যাশনে অবৈধ ভাবে গড়ে উঠা মেসার্স ক্রাউন ব্রিকসে অবাধে পুড়ছে কাঠ” চরম হুমকিতে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা নজরুল ইসলামের গনসংযোগ দৌলতখানে জমি বিরোধের জেরধরে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ ভোলার তজুমদ্দিনে পাওনাকৃত ৬০০ টাকার দ্বন্দ্বে এক যুবকের মৃত্যু ভোলার লালমোহনে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থিত বিডিপি নেতা-কর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ

ভোলায় মিথ্যা চুরির অপবাদে নিরীহ যুবককে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙ্গে দেওয়ার অভিযোগ

Reporter Name / ৪৪৬ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

জুয়েল রানা,ভোলা প্রতিনিধি।

ভোলা সদর উপজেলা বাপ্তা ইউনিয়ন ৬ নং ওয়ার্ডের মাঝি বাড়ির মোঃ আনজির হোসেন (১৯)কে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার উপর হামলা করেন এতে আনজিরের বাম হাত এবং বাম পা ভেঙ্গে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে একই এলাকার প্রতিবেশি নীরব এর ছেলে তানজিল, নিরব,ও ইয়াছিন।

আহত আনজির হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, আমি ২ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) দুপুর ৩ টার দিকে আমাদের নিজ বাগান থেকে সুপারি পাড়ার জন্য গাছে উঠি। কিন্তু তানজিল সহ তার বাবা দাদা আমাকে মিথ্যা চোর অপবাদ দিয়ে কারেন্টর তাড় এবং লোহার ফাইভ দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করেন। একপর্যায়ে আমি ডাক চিৎকার করলে এলাকার লোকজন আমাকে উদ্ধার করে ভোলা সদর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন।

আহত আনজির হোসেন এর বাবা মোঃ সোহরাব হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, আমার ছেলে আনজিরকে সুপারির মিথ্যা চুরির অভিযোগ দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করেছেন। কিন্তু আদৌ আমার ছেলে তাদের সুপারি গাছ থেকে কোনো সুপারি পারেননি। কিন্তু কোন উদ্দেশ্য নিয়ে তারা আমার ছেলেকে নৃশংস ভাবে তাকে মারধর করলো তা আমি জানি না। আমি প্রশাসনের কাছে এর উপযুক্ত বিচার চাই।

অভিযুক্ত তানজিল,নিরব ও ইয়াছিনের নিকট আনজির হোসেনকে মারধরের কারন তাদের মুঠোফোনে জানতে চাইলে তারা উক্ত ঘটনার অস্বীকার করে বলেন, আমরা আনজিরকে লোহার রোড দিয়া মারধর করিনি। আমি শুধু তাকে হাত দিয়ে চড়থাপ্পড় মেরেছি।

এ ঘটনার সত্যতা জানার জন্য নীরবকে একাধিক বার কল করা হলে তাহার ব্যবহারকৃত মোবাইল ফোন বন্ধ করে দেয়। এ সুভাধে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

তবে ভুক্তভোগী আনজিরের পরিবার সূত্রে জানা যায়, ভোলা সদর মডেল থানায় মামলার প্রস্তুতি চলমান রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category