গত ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ইং তারিখে দৈনিক অনলাইন পত্রিকা ভোলা প্রকাশ, মাতৃভূমির কথা ও আজকের দেশবনী পত্রিকায়”৫ লক্ষ টাকা চাদা না দেওয়ায় বসতবাড়ির রাস্তা বন্ধ করে দিলেন ওয়াসিম ও মিলনগংরা” উক্ত শিরোনামের প্রকাশিত সংবাদের প্রতি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। ভোলা সদর উপজেলার পূর্ব ইলিশা ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের দারোগা হাওলা গ্রামের হাবিব ঘোসের বাড়িতে ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে ওয়াসিম ও মিলনগংরা। আমি মিলন আমাকে বানানো হয়েছে আওয়ামী লীগ নেতা আরো বলা হয়েছে আমি এলাকায় ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে নিরীহ লোকদেরকে কারণে অকারণে নির্যাতন করেছি। উক্ত প্রকাশিত তথ্যটি সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন, মূলত নুরুদ্দিন, আলাউদ্দিন, জাহাঙ্গীর মাঝি, আলম,মাসউদ্দিন, মাহমুদা, জাফর ও জসিমসহ কয়েকজন মিলে পূর্ব ইলিশা ৭ নং ওয়ার্ডে সাধারণ মানুষের জমিজমা জোরপূর্বক দখল করে থাকেন।
ওদের নিত্য দিনের কাজ হচ্ছে চাঁদাবাজি ও এলাকায় সন্ত্রাসী করা। আমি মোহ মিলন ভোলা সদর খাদ্য অফিসে দীর্ঘদিন ধরে চাকুরি করি। ভোলায় বাসা ভাড়া করে পরিবার পরিজন নিয়ে থাকি। জাহাঙ্গীর মাঝির বাড়ির দুই পাশে আমাদের জমি রয়েছে প্রতিবছর ওই জমিতে প্রচুর পরিমান সুপারি হয়। ওয়াসিম আমার বাগানের পাশের সুপারি বাগান টাক রেখেছে। যাতে করে তার বাগানে চোর না ঢুকতে পারে সেজন্য ওয়াসিম আমার বাগানে বেড়া দেয়। ওই বেরাকে কেন্দ্র করে জাহাঙ্গীর ও তার সহকর্মীদের ইন্দনে আমার জমি জোরপূর্বক দখল করে বাগানের সুপারি ভোগ করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। ঠিক তখনই কুচক্রী পরোসম্পদ লোভী জাহাঙ্গীর সমাজে আমার সম্মান হানী করার জন্য সাংবাদিক ভাইদেরকে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য দিয়ে পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করান। সুতরাং আমার বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই।
বিনীত
মোঃ মিলন
পুর্ব ইলিশা ৭নং ওয়ার্ড,
ভোলা সদর ভোলা