বিশেষ প্রতিনিধিঃ
কুড়িগ্রাম ৩ (উলিপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে চমক দেখাতে পারেন সাবেক ছাত্রদল নেতা ইঞ্জিঃ আবু সাঈদ জনী। টাঙ্গাইল টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ছাত্রদলের এই সাবেক ছাত্রনেতা ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার পুরো সময়ে বিএনপির দলীয় কর্মসূচিতে সক্রিয় ভাবে অংশগ্রহণ করেন। ইঞ্জিঃআবু সাঈদ জনী বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী হওয়ায় উলিপুরের সাধারণ জনগণ ও নেতাকর্মীরা উচ্ছ্বসিত।
উলিপুরের বিভিন্ন ইউনিয়নের বাসিন্দারা জানান, আমরা দেখেছি ২০০৮ সাল থেকেই জনী ভাই বিএনপির রাজনীতির সাথে যুক্ত। টাঙ্গাইল টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষা জিবন শেষে ঢাকার রাজপথে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-জেটেব এর ব্যানারে প্রায় ১ যুগের বেশী সময় আন্দোলন সংগ্রামে ব্যপক ভুমিকা রাখেন। তার প্রতিদান স্বরুপ ইঞ্জিঃ জনী জেটেব কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি’র কাউন্সিলে দ্বিত্বীয় বারের মত সিনিঃ সহ সভাপতি পদে নির্বাচিত হন। এই নেতা কয়েকবার জেল জুলুম ও নির্যাতনের স্বীকার হন। সাধারন জনগনের মতে এই অঞ্চলে বিএনপির মনোনয়নের জন্য তিনিও একজন যোগ্য ব্যক্তি।
একাধিক নেতাকর্মীরা জানান, বিগত সময়ে বিশেষ করে, ২০১৪ এর পরবর্তী সময়ে হরতাল অবরোধের সময় জনী ভাইয়ের তত্ত্বাবধানে ঢাকার বিভিন্ন স্থানে হরতাল অবরোধ পালিত হয়েছিলো। সেই সময়ে যারা কারাগারে ছিলো তাদেরকে কারাগারে ও তাদের পরিবারকে অর্থনৈতিক সহায়তা করেছিলেন তিনি। পাশাপাশি বিভিন্ন দুর্যোগ এর সময় বন্যার্তদের জন্য ত্রান সহায়তা, শীতকালে শীতবস্ত্র বিতরন, হত দরিদ্র মানুষকে সহযোগীতা,ধর্মীয় অনুষ্টান ঈদ ও পুজায় উপহার প্রদান ধর্মীয় উপাসনালয় মসজিদ,মন্দির উন্নয়নে সহযোগিতা করেন তিনি যার ধারবাহিকতা অব্যাহত রেখেছেন তিনি। তাছাড়াও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বনায়ন, অসহায় শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ সামগ্রী বিতরন সহ সামাজিক বিভিন্ন ধরনের কর্মসুচিতে নিয়মিত অংশ নেন জেটেব এর এই নেতা ।
ইঞ্জিঃ আবু সাঈদ জনী’র সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি দীর্ঘ ১৭ বছর একটানা বিএনপির বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছি। জেল খেটেছি,রিমান্ডে গিয়েছি,গুমের হুমকি পেয়েছি, মামলা হামলার স্বিকার হয়েছি,ব্যাবসায়িক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছি তবুও ১ সেকেন্ডের জন্যও দলের বাইরে যাই নাই।
দল যোগ্যতার ভিত্তিতে মনোনয়ন দিলে তিনি মনোনয়ন পাবেন বলে বিশ্বাস করেন। তিনি আশাপ্রকাশ করেন, বিগত আন্দেলন সংগ্রাম হরতাল, অবরোধ কিংবা জুলাই আন্দোলনে কারা রাজপথে ছিলো তার তালিকা নিশ্চয়ই বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের কাছে আছে এবং মনোনয়ন বোর্ড যেন সব প্রার্থীর বিগত দিনের ডকুমেন্টস নিয়ে দলের প্রধানের কাছে উপস্থিত হওয়ার সুযোগ পায় এই আশাবাদ ব্যাক্ত করেন তিনি।।