
নিজস্ব প্রতিনিধি।
ভোলার দৌলতখান উপজেলার চরপাতা ইউনিয়ন ৪ নং ওয়ার্ডের আয়ুব আলী পাটোয়ারীর ওমান প্রবাসী ছেলে সবুজের পরিকল্পিত সাজানো গুম, নাটক প্রতারণায় পার্শ্ববর্তী এলাকার একটি পরিবার এখন প্রায় নিঃস্ব বলে জানাগেছে।
২ নং ওয়ার্ডের ভুক্তভোগী আলাউদ্দিন হাওলাদার অভিযোগ করে জানান, বিগত ৩ বছর পুর্বে তার ছেলে ওমান প্রবাসী পারভেজের মাধ্যমে আয়ুব আলী পাটোয়ারীর ছেলে সবুজ ওমানে যায়। চুক্তি অনুযায়ী সেখানে গিয়ে কাজ করে বাড়িতে টাকাও পাঠায় সবুজ। এরই মধ্যে আরো বেশি টাকা ইনকাম করার জন্য সবুজ অন্যত্র গিয়ে গোপনে কাজ শুরু করে এমনকি বাবা মা ভাই বোনসহ আত্নীয়স্বজনদের সাথে গোপনে যোগাযোগ এবং বাড়িতে নিয়মিত টাকাও পাঠায়। কয়েকদিন পর সবুজের পিতা আইয়ুব আলী পাটোয়ারী তার ছেলে ওমানে গুম/ নিখোঁজ, তার কোন খোজ খবর নেই মর্মে পারভেজের পরিবারকে চাপ প্রয়োগ করতে থাকে। আয়ুব আলী পাটোয়ারীকে তার ছেলে সবুজ সেখানে ভালো কোম্পানিতে কাজ করছেন এবং ভালো আছে বললেও তাকে বুঝানো যায়নি । অর্থ আত্মসাৎ করার পরিকল্পনা করে তরিগড়ি করে আমাদের নামে একটি মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করতে থাকে আয়ুব আলী পাটোয়ারী। ওই মিথ্যা মামলা থেকে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করে মামলা থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য দিশেহারা হয়ে সবুজকে মাসের পর মাস হন্য হয়ে খুঁজে পারভেজ। কয়েক লাখ টাকা খরচ করে ধুরন্ধর সবুজের ঠিকানা সংগ্রহ পারভেজ। সে যেই কোম্পানিতে চাকরি করে এবং টাকা ইনকাম করে বাড়িতে পাঠানোর সকল তথ্য প্রমাণ সংগ্রহ করে সবুজের পিতা মাতার কাছে পাঠায়।কিন্তু মামলাবাজ আইয়ুব আলী পাটোয়ারী কোন কিছুই মানতে নারাজ । সে পারভেজ ও তার পিতা আলাউদ্দিনের বিরুদ্ধে মানবপাচার মামলা পরিচালনা করে আলাউদ্দিন কে হয়রানি করতে থাকে । উপায়ন্তর না পেয়ে আলাউদ্দিন আদালতের মাধ্যমে হাজির হয়ে ওই মামলায় জামিন নিলেও প্রবাসী পারভেজের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরয়োনা জারী করেন আদালত । এদিকে মিথ্যা মামলায় অভিযুক্ত পারভেজ নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করার জন্য নিজের কাজ কর্ম রেখে দিনের পর দিন ওমানের বিভিন্ন জায়গায় খোঁজা খুজি করে কয়েক লাখ টাকা খরচ করে প্রতারক সবুজের সন্ধান পায়। তাকে গিয়ে এসব প্রতারণা এবং মিথ্যা মানবপাচার মামলার বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে সবুজ এসবের কিছুই জানেনা বলে জানায়। পরে উপস্থিত লোকজন তাকে চাপ প্রয়োগ করলে সে তার পিতা এসব করছে বলে ভুল স্বীকার করে। উপস্থিত লোকজনের সামনে তার মা এবং বাবার সাথে ভিডিও কলে কথা বলে মামলা তুলে নেয়ার জন্য তার মা বাবাকে অনুরোধ করেন।
কিন্তু কয়েক মাস অতিবাহিত হলেও সবুজের পিতা মামলা প্রত্যাহার না করে নানান তালবাহা করে আসছে। বরং মামলা প্রত্যাহার করতে তিন লাখ টাকা দাবী করছেন বলে আলাউদ্দিন জানায়।
মামলার বাদী আয়ুব আলী পাটোয়ারী জানায়, আগে ছেলের কোন খোজ পায়নি তাই মামলা করেছি। এখন আমরা মিমাংসা হয়ে যাবো।