
আশিকুর রহমান শান্ত,ভোলা প্রতিনিধি।
ভোলা জেলার দৌলতখান উপজেলার চর খলিফা ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের দিদিরউল্যহ গ্রামের মাহাজন বাড়ির পাশের জমিতে রাতের আঁধারে রাস্তা ভেঙে জমি দখল করার অভিযোগ উঠেছে একই এলাকার ইউসুফ গংদের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় জমির মালিক মোঃ মনিরুল ইসলাম (৫৩) সূত্রে জানা যায়, দৌলতখান থানায় ১। মোঃ ইউসুফ মাঝি (৪৬), ২। মোঃ খোরশেদ আলম (৫২), উভয় পিতা: মৃত তোফাজ্জেল হোসেন, ৩। মোঃ বজলুর রহমান (৫৫), ৪। মোঃ খলিলুর রহমান (৪৫), পিতা: মৃত মন্তাজ উদ্দিন, ৫। মোঃ নুর হোসেন (২৬), ৬। শুকুর আলী (২০), উভয় পিতা: মোঃ ইউসুফ মাঝি, ৭। মোঃ আরিফ (২০), পিতা: বজলুর রহমান, ৮। মোঃ লিটন (২৫), ৯। মোঃ মনোয়ার (১৮), উভয় পিতা: খলিলুর রহমান, ১০। মোঃ চাঁন মিয়া (২৩), ১১। মোঃ রকিবুল (১৯), উভয় পিতা: খোরশেদ আলমদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান।
অজানা যায়, মোঃ মনিরুল ইসলামের ৫৬ শতাংশ সম্পত্তি যার মৌজা-চরপাতা, জে.এল নং ২০, জমা খারিজ খতিয়ান নং – ১৮০৪, দাগ নং – ২৩১১, উক্ত তফসিলভুক্ত সম্পত্তি ক্রয়সূত্রে মালিক থাকিয়া ভোগ দখলে আছে। উল্লেখিত বিবাদীগণের পিতা বিগত ১৯৭২ইং সালে নিম্ন তফসিলভুক্ত সম্পত্তি বিক্রি করিয়া নিসত্তবান হয়। পরবর্তীতে উক্ত সম্পত্তি বিভিন্ন সময় একাধিকবার ক্রয়-বিক্রয় এর পর সে গত ২০০৮ইং সাথে দলিল মূলে মালিক মোঃ মোতাহার হোসেন এর নিকট থেকে ক্রয় করিয়া নিজ নামে নামজারি করিয়া খাজনা পরিশোধ পূর্বক সুখে শান্তিতে ভোগ করিয়া আসিতেছে।বিবাদীগণ লোভে বশ্মিভূত হইয়া ক্ষমতা শক্তির বলে মনিরুল ইসলাম এর নিম্ন সম্পত্তি জবর দখলের পায়তারা করিয়া আসিতেছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ইং ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল অনুমান ১০.০০ ঘটিকার সময় মনিরুল তার নিজ সম্পত্তিতে কাজের লোক নিয়া রাস্তা বাধাইয়ের কাজ করতে গেলে বিবাদীরা তাকে বাধা প্রদান করে। সে প্রতিবাদ করিলে তাকে খুন জখমসহ বিভিন্ন রকম ভয়-ভিতি দেখাইয়া তার তৈরি রাস্তা রাত্রের আধারে ভেঙ্গে ফেলবে বলিয়া হুমকি প্রদান করে চলিয়া যায়। এরই জের ধরিয়া বিবাদীরা গত ১৪ ফেব্রুয়ারি তারিখ রাত্রের আধারে তার নির্মাণাধীন রাস্তা ভেঙ্গে ফেলে তার ক্ষতি সাধন করে।
এ ব্যাপারে জমির মালিক মনিরুল ইসলাম বলেন, এই জমি আমি ২০০৮ সাল থেকে ভোগ দখল করে আসছি। আমি ঢাকা থাকার সুযোগে হঠাৎ করে ইউসুফ গংরা এই জমি তাদের বলে দখল করতে আসে। তাদের দাবির প্রেক্ষিতে এ নিয়ে স্থানীয় ও থানায় এবং কোর্টে একাধিকবার বসাবসি ও মামলা হয়। প্রত্যেক জায়গায় তারা কোন কাগজপত্র না দেখাতে পারায় হেরে যায়। এখন আবার বলে দেড় মাস পরে তারা কাগজ দেখাবে এখন কোন কাগজ দেখাবে না।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউসুফ এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, জমি নিয়ে আদালত চলে, আদালত চলা অবস্থায় এখানে সে কোন কাজই করতে পারবে না। আদালতের রায়ে যদি সে জমি পায় তাহলে সেখানে রাস্তা না দিঘী কাটুক। কিন্তু রাতের আধারে কে বা কারা তার রাস্তা ভেঙ্গেছে তা আমরা জানিনা।
দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিল্লুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্তসাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।