
স্টাফ রিপোর্টার।
ভোলা জেলার দৌলতখান উপজেলার মধ্য জয়নগর ৯ নং ওয়ার্ডের বখশেয়ালি সংলগ্ন বড় বাড়ির আবুল কাশেম ও তার ছেলে আশরাফুলের নেতৃত্বে নারী ও পুরুষ মিলে প্রায় ১ শতাধিক সন্ত্রাসী মিলে রাতের আঁধারে মৃত দেলোয়ার হোসেন হাওলাদারের মায়ের রেকর্ডীয় ও ক্রয় কৃত জমি জোরপূর্বক ঘর উত্তোলন করে দখল করেন।
ঘটনাস্থলে গিয়ে জানাযায়, দীর্ঘ ৫০ থেকে ৬০ বছর দেলোয়ার হোসেন তার মায়ের রেকর্ডীয় জমি এস এ ৭২৬/১২০১/৭১৭ নং খতিয়ানে ৪৩ শতাংশ জমি ৩ জনের কাছ থেকে ৪৪ শতাংশ জমি ক্রয় করে মোট ৮৭ শতাংশ জমি নিজ নামে নাম জারি ও খাজনা পরিশোধ করে ভোগ দখল করে আসছেন।
প্রত্যক্ষ সাক্ষী হিসেবে শফিজুল হক বলেন, রাতের আঁধারে আনুমানিক রাত ১২/১ টার সময় আবুল কাশেম ও তার ছেলে আশরাফুল ইসলাম এবং তাদের ভারা করা লাঠিয়াল বাহিনীসহ মহিলাদের নিয়ে বগি দা, রাম দা,বাঁশের লাঠি অর্থাৎ দেশীয় অস্র নিয়ে তারা গাছ কাটে এবং রাতেই ঘর তোলেন। ঘটনাস্থল থেকে শফিজুল এর ঘর সর্বোচ্চ ৫০/৬০ ফুটের মধ্যে।
দেলোয়ার হোসেনের পুত্রবধূ ইব্রাহিমের বউ রোজিনা জানান, আমার স্বামীসহ আমার দেবর এরা প্রবাসে থাকেন। পরিবারে বর্তমানে কোন পুরুষ নেই, রাতে ঘর তোলার পরে আমি খবর পেয়ে সেখানে আসি।এসে যখন তাদের জিজ্ঞেস করি আপনারা রাতে ঘর তুলছেন কেন, তখন ৮/১০ জন মহিলা ও পুরুষ আমার উপর হামলা চালায়। এক পর্যায়ে আমার ওড়না বোরকা তারা হের্চা করে আমার গায়ে লাঠি দিয়ে আঘাত করেন। বমার ডাক চিৎকারে প্রত্যক্ষ সাক্ষী সফিজল হক আমাকে রক্ষা করেন।
সেখান থেকে তাদের ভয়ে আমি চলে যাই। রোজিনা আরো জানান,২০১৪ সালে আবুল কাশেম আমার শ্বশুর দেলোয়ার হোসেনকে ৫ নাম্বার আসামি করে দৌলতখান সহকারী জজ আদালতে দেওয়ানী মামলা নং ৪৪/২০১৪ ইং মামলা করেন।মামলা চলমান অবস্থায় আনুমানিক ৭/৮ বছর আগে আমার শ্বশুর দেলোয়ার হোসেন মারা যায়। রোজিনা বলেন এই মামলার ১নং বিবাদী নুরুল ইসলাম পরিচালনার দায়িত্ব নেন এবং তিনি মামলা পরিচালনা করেন,গতবছরের সুপারি নারিকেল আমরা নিয়েছি।
আমরা এর সঠিক বিচার দাবি করছি।
আবুল কাসেম জানান,আমার বাপের ক্রয়কৃত সম্পত্তি তারা দখল করে আছে। আমি ২০১৪ সালে দেওয়ানী মামলা দেই সেই মামলরার রায় আমাদের পক্ষে আসে তাই আমরা এখানে ঘর তুলছি। ভুক্তভোগীগন প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।