
মোঃ বাবুল রানা, ভোলা প্রতিনিধি।
প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান, দক্ষতা এবং কঠোর পরিশ্রমের সমন্বয়ে যে জীবনের পরিবর্তন সম্ভব, তারই এক উজ্জ্বল উদাহরণ মোঃ আমির হোসেন। দীর্ঘদিনের চেষ্টা ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে তিনি শুধু নিজের ভাগ্যই বদলাননি, বরং এলাকার অন্যদের জন্যও অনুপ্রেরণার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
২০০৭ সাল থেকে পোনা ব্যবসার পাশাপাশি মাছ চাষ শুরু করেন আমির হোসেন। ধীরে ধীরে অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে তিনি সফলতার শিখরে পৌঁছান। বর্তমানে ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের একজন সফল মৎস্যচাষী হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন তিনি।
তার এই সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয় মৎস্য পুরস্কার ২০২৬-এর জন্য আবেদন করা হয়েছে। ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য হাফিজ ইব্রাহিম তাকে এ পুরস্কারের জন্য সুপারিশ করেছেন বলে জানা গেছে।
ভোলা সদর উপজেলা ১২টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত। এ অঞ্চলের বিপুল সংখ্যক মানুষ জীবিকা নির্বাহের জন্য সরাসরি মাছ চাষ ও আহরণের সঙ্গে জড়িত। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ খাতে পরিকল্পিতভাবে বেকার যুবক-যুবতীদের সম্পৃক্ত করা গেলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং বেকারত্ব অনেকাংশে হ্রাস পাবে।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেন জানান, “আমির হোসেন জাতীয় মৎস্য পুরস্কার ২০২৬-এর জন্য আবেদন করেছেন, যা তার দীর্ঘদিনের সাফল্য ও অবদানেরই স্বীকৃতি।”
স্থানীয়দের মতে, আমির হোসেনের এই অর্জন শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং পুরো এলাকার জন্য একটি অনুপ্রেরণার উৎস।