• সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ০১:২৯ পূর্বাহ্ন
  • |
  • English Version
  • |
Headline :
ভোলা সদর উপজেলা পিআইও জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে টিআর কাবিটার তথ্য নিয়ে লুকোচুরির অভিযোগ  ভোলা মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন ও এশিয়া ডক্টরস পয়েন্টের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা চুক্তি স্বাক্ষর ভোলায় দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র”তাজা গোলা ও গাঁজাসহ ১ কুখ্যাত সন্ত্রাসীকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড ভোলায় গাঁজাসহ ১ মাদক কারবারিকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড ভোলার মনপুরায় ইঞ্জিন বিকল হয়ে নদীতে ভাসতে থাকা বোটসহ ১২ জন যাত্রীকে নিরাপদে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। সাবেক চেয়ারম্যান কর্তৃক সাংবাদিক অপহরণ ও নির্যাতনের ঘটনায় ন্যায় বিচার চায় ফরিদুল ইসলাম ভোলায় মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের কমিটি গঠন”সভাপতি রিয়াজ সম্পাদক সোহেল ভোলায় ইজিপিপি’র আওতায় খাল খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন ভোলা দৌলতখানে ১৮’শ জেলেদের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ ভোলায় যৌথ অভিযানে গাঁজাসহ ২ মাদক কারবারিকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড

ভোলায় মিথ্যা চুরির অপবাদে নিরীহ যুবককে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙ্গে দেওয়ার অভিযোগ

Reporter Name / ৫৬৮ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

জুয়েল রানা,ভোলা প্রতিনিধি।

ভোলা সদর উপজেলা বাপ্তা ইউনিয়ন ৬ নং ওয়ার্ডের মাঝি বাড়ির মোঃ আনজির হোসেন (১৯)কে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার উপর হামলা করেন এতে আনজিরের বাম হাত এবং বাম পা ভেঙ্গে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে একই এলাকার প্রতিবেশি নীরব এর ছেলে তানজিল, নিরব,ও ইয়াছিন।

আহত আনজির হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, আমি ২ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) দুপুর ৩ টার দিকে আমাদের নিজ বাগান থেকে সুপারি পাড়ার জন্য গাছে উঠি। কিন্তু তানজিল সহ তার বাবা দাদা আমাকে মিথ্যা চোর অপবাদ দিয়ে কারেন্টর তাড় এবং লোহার ফাইভ দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করেন। একপর্যায়ে আমি ডাক চিৎকার করলে এলাকার লোকজন আমাকে উদ্ধার করে ভোলা সদর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন।

আহত আনজির হোসেন এর বাবা মোঃ সোহরাব হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, আমার ছেলে আনজিরকে সুপারির মিথ্যা চুরির অভিযোগ দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করেছেন। কিন্তু আদৌ আমার ছেলে তাদের সুপারি গাছ থেকে কোনো সুপারি পারেননি। কিন্তু কোন উদ্দেশ্য নিয়ে তারা আমার ছেলেকে নৃশংস ভাবে তাকে মারধর করলো তা আমি জানি না। আমি প্রশাসনের কাছে এর উপযুক্ত বিচার চাই।

অভিযুক্ত তানজিল,নিরব ও ইয়াছিনের নিকট আনজির হোসেনকে মারধরের কারন তাদের মুঠোফোনে জানতে চাইলে তারা উক্ত ঘটনার অস্বীকার করে বলেন, আমরা আনজিরকে লোহার রোড দিয়া মারধর করিনি। আমি শুধু তাকে হাত দিয়ে চড়থাপ্পড় মেরেছি।

এ ঘটনার সত্যতা জানার জন্য নীরবকে একাধিক বার কল করা হলে তাহার ব্যবহারকৃত মোবাইল ফোন বন্ধ করে দেয়। এ সুভাধে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

তবে ভুক্তভোগী আনজিরের পরিবার সূত্রে জানা যায়, ভোলা সদর মডেল থানায় মামলার প্রস্তুতি চলমান রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category