• শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১৩ পূর্বাহ্ন
  • |
  • English Version
  • |
Headline :
মোটরসাইকেল শোভাযাত্রায় জনতার ঢল, উত্তর জয়নগরে আলোচনায় চেয়ারম্যান প্রার্থী হাসান খান ভোলায় তথ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প ভোলায় নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই চলছে মা ইলিশ শিকার, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই ভোলার দৌলতখানে মাদ্রাসায় চলছে নিয়োগ পরীক্ষা তথ্যমন্ত্রীর ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে চিকিৎসা পেল ২০ হাজার মানুষ তজুমদ্দিনে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে চাঁদপুর ইউনিয়নে জেলেদের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণ ভোলা পৌরসভায় মশক নিধন কার্যক্রমে ৪১ লাখ টাকা অনিয়ম ও আত্মসাতের অভিযোগ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ভোলার গ্যাস বদলে দিতে পারে দেশের জ্বালানির ভবিষ্যৎ ভোলার গ্যাস বদলে দিতে পারে দেশের জ্বালানির ভবিষ্যৎ দৌলতখানে পুর্বশত্রুতার জেরধরে সন্ত্রাসী হামলায় আহত লিটন

২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে মাছ ধরতে প্রস্তুত ভোলায় প্রায় ২ লক্ষ জেলে

Reporter Name / ৩৭৩ Time View
Update : শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫


মোঃ মনিরউদ্দিন খান,ভোলা প্রতিনিধি।

ইলিশ মাছ ধরায় টানা ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে নদীতে ফিরছেন ভোলার প্রায় দুই লাখ জেলে। এতে জেলে পল্লীগুলোতে বইছে উৎসবের আমেজ। শনিবার (২৫ অক্টোবর) মধ্যরাত থেকেই মাছ ধরতে আবারও নদীতে নামছে জেলেরা।

দীর্ঘ বিরতির পর নদীতে নামার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সবাই। তারা কেউ জাল বুনছেন, কেউ ট্রলার মেরামত করছেন। মাছ ঘাট গুলোতে এখন কর্মচাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে। জেলে, পাইকার আর আড়ৎদারদের হাঁকডাকে জেলে পল্লী মুখর হয়ে আছে। বন্ধ থাকা বরফকল গুলোও একে একে খুলে যাচ্ছে। সবার একটাই আশা, এবারের মৌসুমে যদি নদী উদার হয়, তবে গত ক’দিনের ক্ষতি কিছুটা হলেও পুষিয়ে নেওয়া যাবে। অন্যদিকে আড়ৎদাররা বলছেন, পর্যাপ্ত ইলিশ উঠলে বাজার ফের চাঙা হবে। তাতে জেলে থেকে শুরু করে পাইকার সবাই ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ায় নদীতে নামার অপেক্ষায় এখন নদী পাড়ের মানুষ। কেউ জাল বুনছেন, কেউ নৌকার ইঞ্জিন পরীক্ষা করছেন। নদী মাতৃক এ জেলায় মেঘনায় নামার আগের মুহূর্তে তাদের একটাই প্রার্থনা নদী ভরিয়ে দিক ইলিশে, ঘুরে দাঁড়াক জেলেদের সংসার।

উপকূলীয় জেলাটির ৭ টি উপজেলায় ই জেলে রয়েছে, মেঘনা তীরবর্তী এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, জাল ও নৌকা মেরামতে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত জেলেরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। অনেকে আবার কিনেছেন নতুন জালও। কেউ কেউ নদীতে ফেরার আনন্দে নৌকা সাজিয়ে তুলেছেন ফুল ও ফেস্টুনে।

ধনিয়া ইউনিয়নের তুলাতুলি এলাকার জেলে জসিম মাঝি বলেন, আমরা নিয়ম মেনে মাছ ধরা বন্ধ রেখেছি। কিন্তু অনেকেই রাতে লুকিয়ে মাছ ধরেছে। এতে আমাদের কষ্ট হয়। সবাই যদি এই অবরোধ মানে, তাহলে ইলিশের পরিমাণ আরও বাড়বে।

স্থানীয় ইলিশা, নাছির মাঝি, ভোলার খাল, সামরাজ মাছ ঘাটের একাধিক জেলেরা জানান, প্রতিবেশি ভারতের পশ্চিমবঙ্গে নিষেধাজ্ঞা ছিল মাত্র ১১ দিন। ফলে বাংলাদেশের জেলেরা বসে থাকলেও, ওপারের জেলেরা মাছ ধরেছেন বঙ্গোপসাগরের ভারতীয় জলসীমায়। এতে একই সাগরে পাশাপাশি দুই দেশের ভিন্ন সময়ের নিষেধাজ্ঞা বাংলাদেশের জেলেদের মনে বঞ্চনার শঙ্কা তৈরি করেছে। এছাড়া দেশের ভেতরেই কিছু অসাধু জেলে নিষেধাজ্ঞার সময় নিয়ম ভেঙে মাছ ধরায় কোথাও কোথাও ইলিশের প্রজনন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

তবে মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, ২২ দিনের ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান সফল হয়েছে। এবার উৎপাদন আরও বাড়বে বলে দাবি করছে মৎস্য বিভাগ। নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ভোলার মেঘনা ও তেতুলিয়া নদীতে শুরু হয় ইলিশ ধরার নতুন যাত্রা। এবার প্রচুর ইলিশ ধরে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছেন জেলেরা। আর দেশের মানুষ আশা করছেন, সুলভ মূল্যে ঘরে ফিরবে রূপালি ইলিশ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category