• বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০:১৪ অপরাহ্ন
  • |
  • English Version
  • |
Headline :
ভোলায় ঘর ভেঙ্গে জমি দখলের অভিযোগ গণতন্ত্র ও গণমানুষের স্বার্থে গণমাধ্যমকে সরকার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া উচিত ভোলায় জমিজমা বিরোধের জেরধরে প্রবাসী পরিবারের উপর হামলা”বাড়িঘর ভাংচুর ভোলায় সফল মৎস্যচাষী হিসেবে আমির হোসেনকে স্বীকৃতি দিতে সুপারিশ ভোলা-২ আসনের সাংসদ হাফিজ ইব্রাহিমের ভোলায় এক হালি লেবুর দাম ৬০ টাকা ভোলায় বাস মালিক সমিতির উদ্যোগে “ঈদ আনন্দ বাজার” উদ্বোধন ভোলার ৪টি আসনে চরমোনাই পীরের দলসহ জামানত হারাচ্ছেন ২১ প্রার্থী নির্বাচনে প্রশাসন নিরপেক্ষতা হারালে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে”ভোলায় ইসি মো.সানাউল্লাহ  ভোলায় জামায়াত প্রার্থীর মিছিলে হামলা; হাফিজ ইব্রাহিমকে তলব, পুলিশি তদন্তের নির্দেশ ভোলা চরফ্যাশনে অবৈধ ভাবে গড়ে উঠা মেসার্স ক্রাউন ব্রিকসে অবাধে পুড়ছে কাঠ” চরম হুমকিতে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ

২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে মাছ ধরতে প্রস্তুত ভোলায় প্রায় ২ লক্ষ জেলে

Reporter Name / ২৮৭ Time View
Update : শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫


মোঃ মনিরউদ্দিন খান,ভোলা প্রতিনিধি।

ইলিশ মাছ ধরায় টানা ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে নদীতে ফিরছেন ভোলার প্রায় দুই লাখ জেলে। এতে জেলে পল্লীগুলোতে বইছে উৎসবের আমেজ। শনিবার (২৫ অক্টোবর) মধ্যরাত থেকেই মাছ ধরতে আবারও নদীতে নামছে জেলেরা।

দীর্ঘ বিরতির পর নদীতে নামার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সবাই। তারা কেউ জাল বুনছেন, কেউ ট্রলার মেরামত করছেন। মাছ ঘাট গুলোতে এখন কর্মচাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে। জেলে, পাইকার আর আড়ৎদারদের হাঁকডাকে জেলে পল্লী মুখর হয়ে আছে। বন্ধ থাকা বরফকল গুলোও একে একে খুলে যাচ্ছে। সবার একটাই আশা, এবারের মৌসুমে যদি নদী উদার হয়, তবে গত ক’দিনের ক্ষতি কিছুটা হলেও পুষিয়ে নেওয়া যাবে। অন্যদিকে আড়ৎদাররা বলছেন, পর্যাপ্ত ইলিশ উঠলে বাজার ফের চাঙা হবে। তাতে জেলে থেকে শুরু করে পাইকার সবাই ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ায় নদীতে নামার অপেক্ষায় এখন নদী পাড়ের মানুষ। কেউ জাল বুনছেন, কেউ নৌকার ইঞ্জিন পরীক্ষা করছেন। নদী মাতৃক এ জেলায় মেঘনায় নামার আগের মুহূর্তে তাদের একটাই প্রার্থনা নদী ভরিয়ে দিক ইলিশে, ঘুরে দাঁড়াক জেলেদের সংসার।

উপকূলীয় জেলাটির ৭ টি উপজেলায় ই জেলে রয়েছে, মেঘনা তীরবর্তী এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, জাল ও নৌকা মেরামতে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত জেলেরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। অনেকে আবার কিনেছেন নতুন জালও। কেউ কেউ নদীতে ফেরার আনন্দে নৌকা সাজিয়ে তুলেছেন ফুল ও ফেস্টুনে।

ধনিয়া ইউনিয়নের তুলাতুলি এলাকার জেলে জসিম মাঝি বলেন, আমরা নিয়ম মেনে মাছ ধরা বন্ধ রেখেছি। কিন্তু অনেকেই রাতে লুকিয়ে মাছ ধরেছে। এতে আমাদের কষ্ট হয়। সবাই যদি এই অবরোধ মানে, তাহলে ইলিশের পরিমাণ আরও বাড়বে।

স্থানীয় ইলিশা, নাছির মাঝি, ভোলার খাল, সামরাজ মাছ ঘাটের একাধিক জেলেরা জানান, প্রতিবেশি ভারতের পশ্চিমবঙ্গে নিষেধাজ্ঞা ছিল মাত্র ১১ দিন। ফলে বাংলাদেশের জেলেরা বসে থাকলেও, ওপারের জেলেরা মাছ ধরেছেন বঙ্গোপসাগরের ভারতীয় জলসীমায়। এতে একই সাগরে পাশাপাশি দুই দেশের ভিন্ন সময়ের নিষেধাজ্ঞা বাংলাদেশের জেলেদের মনে বঞ্চনার শঙ্কা তৈরি করেছে। এছাড়া দেশের ভেতরেই কিছু অসাধু জেলে নিষেধাজ্ঞার সময় নিয়ম ভেঙে মাছ ধরায় কোথাও কোথাও ইলিশের প্রজনন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

তবে মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, ২২ দিনের ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান সফল হয়েছে। এবার উৎপাদন আরও বাড়বে বলে দাবি করছে মৎস্য বিভাগ। নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ভোলার মেঘনা ও তেতুলিয়া নদীতে শুরু হয় ইলিশ ধরার নতুন যাত্রা। এবার প্রচুর ইলিশ ধরে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছেন জেলেরা। আর দেশের মানুষ আশা করছেন, সুলভ মূল্যে ঘরে ফিরবে রূপালি ইলিশ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category