• রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৪ অপরাহ্ন
  • |
  • English Version
  • |
Headline :
বাল্কহেডে চাঁদা দাবি,না পেয়ে মারধর,টাকা ও মালামাল লুটের অভিযোগ কথিত নেতা রাসেদের বিরুদ্ধে ভোলায় ক্রয়করা সম্পত্তির ওয়ারিশি মালিকানা দাবী করেন আপন ছোট ভাই ভোলার নবাগত ইউএনও’র সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ভোলায় সমাজসেবার প্রশিক্ষণে ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতি ও ঘুস-বাণিজ্যের অভিযোগ ভোলায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ পলিথিন ও কারেন্ট জাল জব্দ ভোলা সদর উপজেলা পিআইও জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে টিআর কাবিটার তথ্য নিয়ে লুকোচুরির অভিযোগ  ভোলা মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন ও এশিয়া ডক্টরস পয়েন্টের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা চুক্তি স্বাক্ষর ভোলায় দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র”তাজা গোলা ও গাঁজাসহ ১ কুখ্যাত সন্ত্রাসীকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড ভোলায় গাঁজাসহ ১ মাদক কারবারিকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড ভোলার মনপুরায় ইঞ্জিন বিকল হয়ে নদীতে ভাসতে থাকা বোটসহ ১২ জন যাত্রীকে নিরাপদে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড।

ফি সাবিলিল্লাহ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ আয়োজিত হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

Reporter Name / ৩০৯৮ Time View
Update : রবিবার, ৯ নভেম্বর, ২০২৫

মোঃ মনিরউদ্দিন খান,ভোলা প্রতিনিধি।

কুরআনের হিফজ রক্ষাকারীরা আল্লাহর প্রতিশ্রুতির অংশীদার।

আল্লাহর কালাম কুরআনুল কারিমের হিফজ ও প্রচারে নিবেদিত সংগঠন ফি সাবিলিল্লাহ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ আয়োজিত জেলা ভিত্তিক হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতার ফাইনাল পর্ব ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শনিবার অনুষ্ঠিত হয় মাদীনাতুল উলুম কুয়েত মাদরাসা, খায়েরহাটে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মাওলানা ইব্রাহিম খলিল।
প্রধান অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন হাফেজ মাওলানা মিজানুর রহমান আজাদী।
প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন
মুফতি ইমাম মোঃ রেযাউল কারীম বুরহানী, সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী (ভোলা-০২), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

অনুষ্ঠানে এলাকার আলেম-উলামা, শিক্ষক, হাফেজে কুরআন, অভিভাবক ও সাধারণ মুসল্লিগণ উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বলেন

“যারা আল্লাহর কিতাব মুখস্থ করছে, তারা আসলে আল্লাহর সেই প্রতিশ্রুত সংরক্ষণের অংশীদার, যা তিনি নিজেই ঘোষণা করেছেন—
‘ইন্না নাহনু নায্জালনাযিকরা ওয়া ইন্না লাহু লাহাফিজুন।’”

তারা আরও বলেন,

“কুরআনের হাফেজ হওয়া শুধু দুনিয়ার সম্মান নয়; এটি আখিরাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা অর্জনের পথ।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি কুরআন পাঠ করে ও মুখস্থ রাখে, তাকে জান্নাতে বলা হবে— পাঠ করো ও উঠতে থাকো।’”

পুরস্কার বিতরণ

এই প্রতিযোগিতায় জেলার বিভিন্ন মাদরাসা থেকে মোট ২৫টি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করে।
এর মধ্যে ১৫ জন শিক্ষার্থীকে ক্রেস্ট ও সনদ প্রদান করা হয়।

তন্মধ্যে

প্রথম স্থান অধিকারী: আব্দুল্লাহ আল আরাফাত, ইকরা মাদ্রাসা — নগদ ৫,০০০ টাকা, ক্রেস্ট ও সনদ।

দ্বিতীয় স্থান অধিকারী: আনাস, আলিনগর আজিজিয়া মাদ্রাসা — নগদ ৩,০০০ টাকা, ক্রেস্ট ও সনদ।

তৃতীয় স্থান অধিকারী: আব্দুল্লাহ আল মামুন, রহিমিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসা — নগদ ২,০০০ টাকা, ক্রেস্ট ও সনদ।

অন্যান্য বিজয়ীদেরও উৎসাহমূলক পুরস্কার ও সনদ প্রদান করা হয়।

তরুণ প্রজন্মকে কুরআনের দিকে ফেরাতে উদ্যোগ

ফি সাবিলিল্লাহ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়,
এই প্রতিযোগিতার উদ্দেশ্য হলো দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিশু-কিশোরদের কুরআনের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা, তাদের হৃদয়ে দ্বীনি চেতনা ও ঈমানি প্রেরণা সৃষ্টি করা।

“আমরা চাই, প্রতিটি গ্রামে অন্তত একজন হাফেজে কুরআন তৈরি হোক;
আমাদের সমাজে কুরআনের আলো ছড়িয়ে পড়ুক, যাতে তরুণ প্রজন্ম মাদক, ভোগবাদ ও অনৈতিকতার অন্ধকার থেকে মুক্তি পায়।” — আয়োজকরা।

ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম

ফি সাবিলিল্লাহ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ দারিদ্র্যপীড়িত এলাকায় হিফজুল কুরআন মাদরাসা সহায়তা, এতিম শিশুদের শিক্ষা, রোহিঙ্গা ও দুর্যোগ–আক্রান্ত এলাকায় মানবিক সহায়তাসহ বিভিন্ন খাতে আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে (ফি সাবিলিল্লাহ) কাজ করে যাচ্ছে।

দোয়া ও সমাপ্তি

অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
আলোচনা শেষে সম্মিলিতভাবে দোয়া করা হয়—

“আল্লাহ তাআলা যেন এই কুরআন প্রতিযোগিতাকে কবুল করেন,
নতুন প্রজন্মের হৃদয়ে কুরআনের প্রেম জাগিয়ে তোলেন,
এবং আমাদের সমাজকে কুরআনের আলোয় আলোকিত করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category