• বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১৯ অপরাহ্ন
  • |
  • English Version
  • |
Headline :
ভোলার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র নানা সংকটে জর্জরিত ভোলায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি দখলের অভিযোগ হাড়িয়েছে দৌলতখান উপজেলার ৬নং চরখলিফা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জহুরুল ইসলামের নির্বাচনী প্রচারনা শুরু বাল্কহেডে চাঁদা দাবি,না পেয়ে মারধর,টাকা ও মালামাল লুটের অভিযোগ কথিত নেতা রাসেদের বিরুদ্ধে ভোলায় ক্রয়করা সম্পত্তির ওয়ারিশি মালিকানা দাবী করেন আপন ছোট ভাই ভোলার নবাগত ইউএনও’র সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ভোলায় সমাজসেবার প্রশিক্ষণে ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতি ও ঘুস-বাণিজ্যের অভিযোগ ভোলায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ পলিথিন ও কারেন্ট জাল জব্দ ভোলা সদর উপজেলা পিআইও জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে টিআর কাবিটার তথ্য নিয়ে লুকোচুরির অভিযোগ 

ভোলার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র নানা সংকটে জর্জরিত

Reporter Name / ৩৭ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ভোলা সদর থানার সামনে অবস্থিত মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রটি নানা সমস্যায় জর্জরিত হয়ে পড়েছে। কেন্দ্রটিতে চিকিৎসক সংকট ও ঔষধ না থাকায় ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক চিকিৎসা কার্যক্রম। এখানে দুইজন চিকিৎসকের পদ থাকলেও একজন চিকিৎসক ও নেই। ফলে পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা (FWV)-এর মাধ্যমে কোন রকম স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হচ্ছে।

গত ২৭ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টা ২০ মিনিটে প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শনে যান পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর ভোলার সহকারি পরিচালক ডাঃ অচিন্ত কুমার ঘোষ। সেখানে গিয়ে তিনি দেখেন, গর্ভবতী মায়েদের সেবা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তবে শিশুদের প্রয়োজনীয় ঔষধ সরবরাহ না থাকায় শিশু রোগীর উপস্থিতি ছিল না বললেই চলে।

কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের জুলাই ও আগস্ট মাসে মোট ৫০ জন মায়ের ডেলিভারি সেবা সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া সেপ্টেম্বর মাসে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আরও ৫০ জন মায়ের ডেলিভারি হয়েছে। অর্থাৎ গত তিন মাসে এ কেন্দ্রে মোট ১০০ জন মায়ের প্রসবসেবা দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রটিতে জরুরি ভিত্তিতে দুইজন চিকিৎসক নিয়োগের পাশাপাশি একজন অ্যাম্বুলেন্স চালক প্রয়োজন। চিকিৎসক ও জনবল সংকটের কারণে সেবার পরিধি বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। স্থানীয়দের কাছে প্রতিষ্ঠানটি এখনও অনেকটা পুরোনো নাম ‘রেডক্রস’ হিসেবেই পরিচিত। দীর্ঘদিন আগে নির্মিত ভবনটির বিভিন্ন অংশে সংস্কারের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, ভবনটি সংস্কারের পাশাপাশি নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে প্রয়োজনে পুরোনো ভবনটি ভেঙে নতুন ভবন নির্মাণ করা হলে মা ও শিশুদের জন্য নিরাপদ ও উন্নত সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত চিকিৎসক, প্রয়োজনীয় ঔষধ ও জনবল সংকটের সমাধান করে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রটিকে আধুনিক ও পূর্ণাঙ্গ সেবাকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হোক।

জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোঃ মনিরুজ্জামান খাঁন বলেন, ভবনের অবস্থা খুবই জরাজীর্ণ ইতিমধ্যেই আমরা চাহিদা চেয়ে মন্ত্রণালয় পাঠিয়েছি। ঔষধের সংকট সারা বাংলাদেশে একই অবস্থা। চিকিৎসক সঙ্কটের বিষয় বলতে গিয়ে এই কর্মকর্তা বলেন, এখানে কেউ আসতে চায় না। যোগাযোগ ব্যবস্থা খুবই খারাপ তাই কেউ এখানে পোস্টিং হয়ে আসলেও থাকতে চায় না। আমার জেলা অফিসেও আমি ছাড়া কোন কর্মকর্তা নেই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category